-13%

আউটসোর্সিং ও ভালোবাসার গল্প (হার্ডকভার)


ফ্রিল্যান্সিংকে পেশা হিসেবে নিয়ে অনেক তরুণই নিজের ভাগ্য বদলেছেন, কিন্তু এ পেশার সামাজিক স্বীকৃতি নেই এখনও। সেরকম এক তরুণের গল্প নিয়ে প্রকাশিত হচ্ছে রাহিতুল ইসলামের উপন্যাস ‘আউটসোর্সিং ও ভালবাসার গল্প’।

প্রথাগত চাকরির পেছনে না ছুটে স্বাবলম্বী হওয়ার কাহিনি উঠে এসেছে এই উপন্যাসে। তথ্য প্রযুক্তিবিষয়ক সাংবাদিক হিসেবে লেখক খুব কাছ থেকে এই পেশার চ্যালেঞ্জগুলো দেখেছেন। এই পেশার প্রতিকূলতা, সুযোগ, উদ্যোক্তা হওয়ার গল্পের সঙ্গে মানবিক প্রেমের আখ্যান মিলিয়ে এটি একটি অনবদ্য রচনা।

প্রধানত এই পেশার সামাজিক স্বীকৃতি নিয়েই আবর্তিত হয়েছে এর গল্প। শুন্য থেকে শুরু করা এক তরুণ কীভাবে এ পেশার আদর্শ হয়ে ওঠে, সেই দৃশ্যই আঁকেন লেখক। গল্পের নায়ক মাহাবুবের জীবন-সংগ্রামের পাশাপাশি তাঁর প্রেমের এক অন্তরঙ্গ বয়ান এ উপন্যাস। সরকারি, বেসরকারি যেকোনো চাকরির চেয়ে আউটসোর্সিং পেশা হিসেবে ভালো। নিজের অনেকটা স্বাধীনতা রয়েছে। উপন্যাসটি কোনো কাল্পনিক গল্প নয়। এটি মাহাবুব নামের একজন ফ্রিল্যান্সারের জীবন থেকে নেওয়া।

আউটসোর্সিং বাংলাদেশে এখনও নতুন। যদিও এ পেশার ইতিহাস মোটামুটি এক দশকের। সম্পদের তুলনায় এ দেশের জনসংখ্যা বেশি। স্বাভাবিক ভাবেই তাই বাড়তি জনসংখ্যার বোঝা বইতে হচ্ছে দেশটিকে। আর জনসংখ্যাকে জনসম্পদের রূপান্তরিত করার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে যেসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং হচ্ছে, তা যথেষ্ট নয়। তাই আমাদের তরুণেরা নিজেরাই এগিয়ে আসছেন নিজেদের ভাগ্য বদল করতে। তরুণ প্রজন্মের অনেকেই এখন চাকরি নামক সোনার হরিণের পেছনে না ছুটে ঘরে বসেই করছেন নিজেদের আয়ের ব্যবস্থা। ফ্রিল্যান্সিং পেশাটি তাই আজ বদলে দিচ্ছে বাংলাদেশের অনেক তরুনের ভাগ্য। বিদেশ থেকে রেমিটেন্স এনে তাঁরা দেশের অর্থনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করছেন। একই সঙ্গে সরকারের ওপর থেকেও বেকার সমস্যার চাপ কমছে।

এ পেশায় দক্ষতা থাকলেই ভালো করা যায়। একটু দক্ষ হলেই একটি কম্পিউটার আর ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই যে কেউ শুরু করে দিতে পারেন আউটসোর্সিংয়ের কাজ।

রাহিতুল ইসলামের উপন্যাসের নায়ক ও নায়িকার শেষ পরিণতি কী হবে? নায়িকার পরিবার কি একজন ফ্রিল্যান্সারের হাতে মেয়েকে তুলে দেবে? নাকি সমাজের চাপে পেশা বদল করতে হবে মাহাবুবকে? অথবা সব ছাপিয়ে জয় হবে প্রেমের, ভালোবাসার…?

R69.00 R79.00

Book Specifications

Book Author

Version

Titleআউটসোর্সিং ও ভালোবাসার গল্প
Author
Publisher
ISBN9789849286981
Edition1st Edition, 2018
Number of Pages88
Countryবাংলাদেশ
Languageবাংলা

 

লেখক সম্পর্কে

তথ্যপ্রযুক্তির লেখালেখিই যার জগৎ | তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রটাই তাঁর জগত। লেখালেখারি মাধ্যমে তিনি পাঠকদের জানিয়ে থাকেন এই জগতের নানান জানা–অজানা কথা— কখনো সংবাদপত্রে লিখে, কখনো বই লিখে। বলা হচ্ছে, এই সময়ের তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সাংবাদিক রাহিতুল ইসলামের কথা, যার চিন্তার সবটা জুড়েই আছে তথ্য ও প্রযুক্তি খাত।

বেশ কয়েক বছরে ধরে দেশের একটি শীর্ষ দৈনিকে সাংবাদিকতা করছেন রাহিতুল ইসলাম। এই পরিচয় তাঁকে পরিচিত করেছে বিভিন্ন মহলে।  পেয়েছেন বিভিন্ন স্বীকৃতি ও সম্মাননা। তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সাংবাদিকতায় অবদান রাখার জন্য মুঠোফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান আইটেল মোবাইল রাহিতুল ইসলামকে দিয়েছে বিশেষ সম্মাননা। সাংবাদিকতার পাশাপাশি লেখক হিসেবে নিজের আলাদা অবস্থান তৈরি করেছেন তিনি। এরই মধ্যে রাহিতুলের চারটি বই প্রকাশিত হয়েছে। বেশিরভাগ বই–ই লেখা তথ্যপ্রযুক্তি জগত ঘিরে।

তিনি এই তথ্যপ্রযুক্তির জগতে পথচলা নিয়ে বললেন, ‘আইটি সাংবাদিকতা করতে এসে দেখলাম, এই শিল্পখাত নিয়ে মানুষের মধ্যে খুব একটা সচেতনতা তৈরি হয়নি। আর তাই আমি এই বিষয় নিয়ে লিখতে শুরু করি। সাংবাদিকতার বাইরে এসে আমি এখন মৌলিক লেখার দিকে গুরুত্ব দিচ্ছি। কয়েকটি বই লিখেছি, আরও একটি লিখছি। এবারের বইয়ের নাম “তথ্যপ্রযুক্তির নায়কেরা”।’

নতুন বইটি সম্পর্কে রাহিতুল জানান, দেশের তথ্যপ্রযুক্তিতে অবদান রেখেছেন এমন ১০ জন নিয়ে লেখা হচ্ছে ‘তথ্যপ্রযুক্তির নায়কেরা’। এই দশজন ব্যক্তি হচ্ছেন তাঁরাই, যাদের হাত ধরে আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশ। যারা আজকের এই ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রগতির হাল ধরেছিলেন,যাদের অবদানে এগিয়ে যাচ্ছে ভবিষ্যতের ডিজিটাল বংলাদেশ; তাঁদের গল্প দিন দিন যেন হারিয়ে যাচ্ছে। রাহিতুল আরো বলেন, ‘এই বইটি পড়ে তরুণ প্রজন্ম জানতে পারবে কীভাবে এই খাত এতদূর এগিয়েছে, কীভাবে আমরা পেয়েছি আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশ। ১০ জনের গল্প নিয়ে তৈরি এই বইটি হবে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের একটি ঐতিহাসিক দলিল।’

রাহিতুল ইসলামের আগের চারটি বই হচ্ছে ‘বিষণ্ন কাঁটাতার’, ‘আউটসোর্সিং ও ভালোবাসার গল্প’, ‘কেমন আছে ফ্রিল্যান্সার নাদিয়া?’ ও ‘চরের মাস্টার কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার’। এর মধ্যে ‘আউটসোর্সিং ও ভালোবাসার গল্প’ উপন্যাসটি অবলম্বনে একই নামে তৈরি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভিন্ন মহলে বেশ সাড়া ফেলেছে। এ ছাড়া ‘কেমন আছে ফ্রিল্যান্সার নাদিয়া?’ অবলম্বনেও টেলিছবি নির্মাণের কাজ এরই মধ্যে শুরু হয়েছে।

তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বইয়ের লেখক হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছেন রাহিতুল ইসলাম। ‘আউটসোর্সিং ও ভালোবাসার গল্প’র লেখক হিসেবে তাঁকে দেওয়া হয়েছে জাতীয় ফ্রিল্যান্সিং অ্যাওয়ার্ড ২০১৯। রাহিতুল ইসলামের আগামী দিনের লক্ষ্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি আমার লেখার মাধ্যমে বাংলাদেশের আইসিটি ইন্ড্রাস্টির কথা দেশ ও দেশের বাইরের মানুষদের কাছে পৌঁছে দিতে চাই।’

যশোরের সদরে রাহিতুল ইসলামের জন্ম, সেখানেই তার বেড়ে ওঠা। সাংবাদিকতা বিষয়ে পড়াশুনা। আর এখন তাঁর সবটুকু সময়ই শুধু তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সংবাদ সংগ্রহ ও এই ক্ষেত্রে নিত্যনতুন গল্পকে নিজের লেখনিতে তুলে ধরা।

এছাড়া গুগল ডেভেলপার গ্রুপ (জিডিজি) বাংলার কমিউনিকেশন অ্যাসোসিয়েট ও সহকারী বাবস্থাপক রাহিতুল ইসলাম এবং দেশের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি খাতে কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীদের সংগঠন বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরামের (বিআইজেএফ)  নির্বাহী সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

Based on 0 reviews

0.0 overall
0
0
0
0
0

Be the first to review “আউটসোর্সিং ও ভালোবাসার গল্প (হার্ডকভার)”

There are no reviews yet.

SHOPPING CART

close